কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য
শেখ হাসিনার অবদান, কমিউনিটি ক্লিনিক বাঁচায় প্রাণ
গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য। এর আওতায় সন্তানসম্ভবা মায়েদের মাতৃত্বকালীন যাবতীয় সেবা নিশ্চিত করা, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার সকল ধরনের সেবা প্রদান করা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন এবং নতুন বিবাহিত দম্পতি ও সনÍানসম্ভবা মায়েদের নিবন্ধিত করা, মা ও শিশুর খাদ্য ও পুষ্টির বিষয়ে সহায়তা প্রদান, বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান এবং জটিল স্বাস্থ্য সমস্যার ক্ষেত্রে উন্নততর চিকিৎসার জন্য উপজেলা  ও জেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রেরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অর্জন
*    গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে প্রতি ৬,০০০ মানুষের জন্য একটি কমিউনিটি ক্লিনিক গড়ে তোলা হয়েছে।
*    সারাদেশে ১৩,১৩৬ (জুন ২০১৬) কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বিনামূল্যে স¦াস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
*    কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে বিনামূল্যে ৩০ প্রকার ওষুধ সরবরাহের মাধ্যমে সাধারণ রোগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
*     প্রতি হাজারে শিশুমৃত্যুর হার ৪১ থেকে ৩৭-এ নামিয়ে আনা এবং প্রতি লাখে মাতৃমৃত্যুর হার ১৯৪ থেকে ১০৫-এ নামিয়ে আনা।
*     ১২ মাসের নিচের শিশুদের শতভাগ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা।
*     দম্পতিদের জন্মনিয়ন্ত্রণ সুবিধার আওতায় আনার হার ৭৫ শতাংশে উন্নীতকরণ।
*     গার্মেন্টস কারখানার নারী শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার কর্মসূচির আওতায় শিশুদের দিবাকালীন সেবা প্রদান কার্যক্রম সমপ্রারিত করা হবে।
তথ্যসুত্র: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর